আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে ভী’তিকর ভবিষ্যতের জন্য!

অস্ট্রেলিয়ার দা’বা’নলের ঘটনার দীর্ঘ প্রতিক্ষিত একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সঙ্গে অনেকগুলো এবং আরও খারাপ ধরনের প্রাকৃতিক বিপ’র্য’য়ের ভী’তি’কর ভবিষ্যতের জন্য দেশটিকে অবশ্যই প্রস্তুত থাকতে হবে। একটি রাজকীয় কমিশনের ওই প্রতিবেদনে সরকারের জন্য ৮০টি সুপারিশ রাখা হয়েছে। নানা বিষয়ের মধ্যে এসব সুপারিশে প্রাকৃতিক বিপ’র্যয় মো’কা’বিলা’র উদ্যোগ, সরঞ্জাম এবং জলবায়ু সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে উন্নয়ন আনতে বিস্তারিত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।দা’বা’নল অস্ট্রেলিয়ার জন্য অ’স্বাভাবিক কিছু নয়। স্থানীয়রা একে বুশ’ফা’য়ার নামে ডাকে। সাধারণত গ্রীষ্মকালে তাপ’দা’হের কারণে প্রতি বছরই সেখানকার জঙ্গলে দা’বা’নল হয়। ২০১৯-২০ সালের দা’বা’নল আগের সব রেকর্ড ও তী’ব্র’তা ছাড়িয়ে গেছে। এবারের দা’বা’নলে অন্তত ৩৩ জনের প্রাণহা’নি হয়েছে। এছাড়াও অসংখ্য বণ্যপ্রাণী ও গাছপালা পু’ড়ে ছাই হয়ে গেছে। দা’বা’নলে’র কারণ অনুসন্ধানে গঠন করা হয় একটি রাজকীয় কমিশন।ওই কমিশনের প্রতিবেদনে সরকারের জন্য বেশ কিছু সুপারিশের পাশাপাশি বলা হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই দা’বা’নল ভ’য়া’বহ পরিস্থিতি ধারণ করেছে। আর ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আরও মা’রা’ত্ম’ক হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সরকার বলছে, কমিশনের সুপারিশগুলো সতর্কতার সঙ্গে এবং পদ্ধতিগতভাবে পর্যালোচনা করা হবে।২০১৯ সালের জুলাই থেকে শুরু করে এই বছরের মার্চ পর্যন্ত দা’বান’লে অস্ট্রেলিয়ার প্রায় দুই কোটি ৪০ লাখ হেক্টর বনভূমি পু’ড়ে গেছে। সবচেয়ে ভ’য়া’বহ ও প্রা’ণঘা’তী এই দা’বা’নলের মৌসুমে আক্রান্ত হয়েছে দেশটির সবগুলো রাজ্য। পু’ড়ে গেছে প্রায় তিন হাজার বাড়ি। শত শত কোটি প্রাণী বাস্তু’চ্যুত হয়েছে কিংবা মা’রা গেছে। এছাড়া সিডনি, ক্যানবেরা, এডিলেডসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় দা’বা’ন’লের ধোঁ’য়া ছড়িয়ে পড়ে। এক জরিপে দেখা গেছে, অন্তত ৪৪৫ জনের মৃত্যু’তে ভূমিকা রেখেছে বাতাসের দূষণ। একই কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে আরও বহু মানুষকে।
ওই দা’বা’ন’লের কারণ অনুসন্ধানে গঠন করা তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী দুই দশকে বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি কোনওভাবেই ঠেকানো সম্ভব নয়। সেকারণে দা’বা’নল, বন্যা এবং ঝ’ড়র মতো জটিল বি’পর্য’য় আরও সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠবে আর একই সঙ্গে এগুলো ঘটতে থাকবে কিংবা একটার পর আরেকটা আসতে থাকবে।ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে প্রাকৃতিক বিপ’র্যয়ে’র প্রভাব এবং তার পরিণতি মো’কা’বিলা এখন আর একটি বিপ’র্যয় মো’কা’বিলা করে টেকসই হবে না। সামগ্রিকভাবে এসব বিপ’র্যয় মো’কা’বিলা’র জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে। কর্তৃপক্ষীয় প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে এসব বিপ’র্যয় আংশি’কভাবে নির’সন করা সম্ভব বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *