একটানা বসে কাজ, বিপদ বাড়ায় ১২ মাস,জেনে নেওয়া যাক ঘাড় কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়।

ঘাড়ে-কোমরে ব্যথা, গা ম্যাজম্যাজ, মাথা টিপটিপ, বিরক্তিকর ব্যথা কমছে না। কখনও আবার ব্যথা সারা শরীরে। এসব ব্যথার কারণ একটানা অফিস বা বাসায় বসে কাজ করা। তবে অনেক সময় ঘাড় ও কোমর ব্যাথা খুব সাধারণ কারণে হয়। কিন্তু এই ব্যথা মানুষকে ভীষণ বিপদে ফেলে দেয়। ব্যথার যন্ত্রণায় অনেকে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। স্বাভাবিক কাজ-কর্ম করতে পারেন না। তাই ঘাড়-কোমর ব্যথা হলে অবহেলা নয়। প্রাথমিকভাব এটি নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে অনেক ভুগতে হয়।

বাসা বা অফিসে কাজ করেন নির্দিষ্ট চেয়ার-টেবিলে বসে? কাজের মাঝে উঠেন? এ দিক সে দিক যাওয়া হয়? ঘাড়-কোমরের আড় ভেঙে নেওয়ার সুযোগ আছে? সিঁড়ি ভাঙার অভ্যাস? না এসব কিছুই করছেন না। তাহলে উপায়?

জেনে নেওয়া যাক ঘাড় কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তির উপায়-

• অফিসে বা বাসায় চেয়ার টেবিলে বসে কাজ করেন। কাজের মাঝে খেয়াল রাখুন ঘাড় ও কোমর যেন সোজা থাকে।

• চেয়ার টেবিলের উচ্চতা এমন রাখুন যাতে ঘাড় সোজা রেখে কাজ করতে পারেন।

• কাজের মাঝে ফোন এলে কাঁধ আর ঘাড়ের মাঝে ফোন ধরে কাজ চালিয়ে যাবেন না। হয় স্পিকার চালু করুন, না হলে ইয়ার ফোনে কথা বলুন, নয়তো কাজ বন্ধ রাখুন সেই সময়টুকু।

• সাধারণ চেয়ারে বসে কাজ করলে কোমরের কাছে কুশনের সাপোর্ট দিন।

• কম্পিউটারে ঘণ্টা খানেক কাজ করার পর মিনিট দশেক চোখের কাজ বন্ধ রাখুন৷ ফাঁকা পেয়েছেন বলে একটু টিভি দেখে নিলেন বা মোবাইল চেক করলেন, তা কিন্তু হবে না৷ একটু চলাফেরা কি স্ট্রেচিং করলে বা চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকলে চোখ, ঘাড়, কোমর সবই বিশ্রাম পাবে।

• ৮-১০ ঘণ্টা কাজের মাঝে কম করে দু’বার খোলা হাওয়ায় ১০-১৫ মিনিট ঘুরে আসুন।

• দিনে অন্তত এক বার কয়েকটি ব্যায়াম করুন।

• দিনে এক বার কী দু’বার ১৫-২০ মিনিট একটু জোরে হাঁটুন।

• কোমরের ব্যথা কম রাখতে করবেন ভুজঙ্গাসন ও শলভাসন।

• কাজের মাঝে উঠে একটু আড়মোড়া ভাঙার মতো করবেন।

• ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার একটু খেতে হবে। কাজেই ডিম, দুধ, দই খাওয়ার চেষ্টা করুন নিয়মিত। পানি পান করুন পর্যাপ্ত। চা-কফি-কোল্ডড্রিঙ্কে-মদ-সিগারেটে কমান ভালো থাকতে পারবেন।ঘাড়ে-কোমরে ব্যথা, গা ম্যাজম্যাজ, মাথা টিপটিপ, বিরক্তিকর ব্যথা কমছে না। কখনও আবার ব্যথা সারা শরীরে। এসব ব্যথার কারণ একটানা অফিস বা বাসায় বসে কাজ করা। তবে অনেক সময় ঘাড় ও কোমর ব্যাথা খুব সাধারণ কারণে হয়। কিন্তু এই ব্যথা মানুষকে ভীষণ বিপদে ফেলে দেয়। ব্যথার যন্ত্রণায় অনেকে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। স্বাভাবিক কাজ-কর্ম করতে পারেন না। তাই ঘাড়-কোমর ব্যথা হলে অবহেলা নয়। প্রাথমিকভাব এটি নির্মূল করতে না পারলে রোগীকে অনেক ভুগতে হয়।

বাসা বা অফিসে কাজ করেন নির্দিষ্ট চেয়ার-টেবিলে বসে? কাজের মাঝে উঠেন? এ দিক সে দিক যাওয়া হয়? ঘাড়-কোমরের আড় ভেঙে নেওয়ার সুযোগ আছে? সিঁড়ি ভাঙার অভ্যাস? না এসব কিছুই করছেন না। তাহলে উপায়?

 

• অফিসে বা বাসায় চেয়ার টেবিলে বসে কাজ করেন। কাজের মাঝে খেয়াল রাখুন ঘাড় ও কোমর যেন সোজা থাকে।

• চেয়ার টেবিলের উচ্চতা এমন রাখুন যাতে ঘাড় সোজা রেখে কাজ করতে পারেন।

• কাজের মাঝে ফোন এলে কাঁধ আর ঘাড়ের মাঝে ফোন ধরে কাজ চালিয়ে যাবেন না। হয় স্পিকার চালু করুন, না হলে ইয়ার ফোনে কথা বলুন, নয়তো কাজ বন্ধ রাখুন সেই সময়টুকু।

• সাধারণ চেয়ারে বসে কাজ করলে কোমরের কাছে কুশনের সাপোর্ট দিন।

• কম্পিউটারে ঘণ্টা খানেক কাজ করার পর মিনিট দশেক চোখের কাজ বন্ধ রাখুন৷ ফাঁকা পেয়েছেন বলে একটু টিভি দেখে নিলেন বা মোবাইল চেক করলেন, তা কিন্তু হবে না৷ একটু চলাফেরা কি স্ট্রেচিং করলে বা চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকলে চোখ, ঘাড়, কোমর সবই বিশ্রাম পাবে।

• ৮-১০ ঘণ্টা কাজের মাঝে কম করে দু’বার খোলা হাওয়ায় ১০-১৫ মিনিট ঘুরে আসুন।

• দিনে অন্তত এক বার কয়েকটি ব্যায়াম করুন।

• দিনে এক বার কী দু’বার ১৫-২০ মিনিট একটু জোরে হাঁটুন।

• কোমরের ব্যথা কম রাখতে করবেন ভুজঙ্গাসন ও শলভাসন।

• কাজের মাঝে উঠে একটু আড়মোড়া ভাঙার মতো করবেন।

• ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার একটু খেতে হবে। কাজেই ডিম, দুধ, দই খাওয়ার চেষ্টা করুন নিয়মিত। পানি পান করুন পর্যাপ্ত। চা-কফি-কোল্ডড্রিঙ্কে-মদ-সিগারেটে কমান ভালো থাকতে পারবেন।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *