চার বছরের স’ম্পর্ক, দৈ’হিক মি’লন: প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিয়ের দাবীতে সারাদিন ধরে প্রেমিকের বাড়ীতে অবস্থান করছে এক প্রেমিকা।

জানা গেছে গোদাগাড়ী উপজে’লার কৃষ্ণ বাটি কালিদিঘি গ্রামের দরিদ্র কৃষক এন্তাজ আলীর মেয়ে ইসমতারা খাতুনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে দৈহিক স’ম্পর্ক স্থাপন করেন উপজে’লার ফরাদপুর গ্রামের মৃ’ত এম’দাদুল হকের ছেলে খাইরুল ইস’লাম।

বর্তমানে মেয়েটির পরিবার বিয়ের জন্য ছেলের পরিবারকে চাপ দিলে স’ম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন ছেলেটি।

ফলে বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকালে প্রেমিক খাইরুল ইস’লামের বাড়ীতে অবস্থান নেন ইসমতারা। সেই থেকে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়ীতে রয়েছে ইসমতারা।

এ বিষয়ে ইসমতারা বলেন, আম’রা রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রি কলেজে অনার্স ৩য় বর্ষে পড়াশোনা করি। গত চার বছর ধরে আমাদের প্রেমের স’ম্পর্ক তারপর মাঝেমাঝে আমাদের দৈহিক স’ম্পর্ক হয়।

এর আগে গত দেড় বছর আগে আমি খাইরুল ইস’লামের বাড়িতে জানালে তার মা দেলখোস বেগম এবং মামা আব্দুল কাদির আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাড়ি থেকে পাঠিয়ে দেন।

আজ সকালে বিয়ের দাবীতে খাইরুলের বাড়ী আসলে তার মা ও ভাই আমাকে মে’রে বাড়ী থেকে বের করে দেই তারপর থেকে বাড়ীর বাইরেই বসে আছি। খাইরুলের সাথে বিয়ে না দিলে আমি এখান থেকে যাব না।

এ বিষয়ে খায়রুল ইস’লামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

খাইরুল ইস’লামের মা দেলখোস বলেন আমা’র ছেলের সাথে এই মেয়ের কোন ধরনের স’ম্পর্ক নাই শুধু একই ক্লাসে পড়ে বলে বই হ্যান্ডনোট ইত্যাদি লেনদেন হতো তারা ভাল বন্ধু মাত্র।

মাটিকা’টা ইউনিয়নে পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আজম তৌহিদ প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অবস্থানের কথা নিশ্চিত করে জানান উভয় পরিবারের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

প্রেমতলি পু’লিশ ত’দন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল বারী বলেন, একটি মেয়ে ফরাদপুর এলাকায় প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন ছেলের মায়ের কাছে শুনেছি। তবে কোন অ’ভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *