ছেলেরা বেশি ব’য়সি মে’য়েদের প্রতি আকৃ’ষ্ট হন যেসব কারণে !

প্রচলিত একটি কথা আছে, সব পুরু’ষই জীবনের কোনও না কোনও সময়ে ব’য়সে বড় কোনও না’রী প্রেমে পড়েন। কেউ কেউ এই প্রেম মনের মধ্যে চে’পে রাখেন, কখনও প্রকাশ করেন না।

কিন্তু অনেকেই সাহসে ভর করে এগিয়ে যান। কিন্তু কেন? ব’য়সে বড় মে’য়েদের স’ঙ্গে সম্প’র্ক নিয়ে বাঙালিদের মধ্যে প্রবল সামাজিক আপত্তি থাকলেও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কিন্তু এই সম্প’র্ককে খা’রাপ চোখে দেখা হয় না।

বিশেষ করে, রাজপরিবারগু’লির মধ্যে ব’য়সে ৪-৫ বছরের বড় না’রীদের স’ঙ্গে বিয়ে আকছার হয়েই থাকে। সেখানে মূ’ল কথা আভিজাত্য, ব’য়স নয়। তাছাড়া, সাধারণের মধ্যেও ব’য়সে বড় মে’য়েদের স’ঙ্গে সম্প’র্ককে আর যাই হোক, নোং’রা চোখে দেখা হয় না।

স্বা’মী মা’রা গেলে, তার ছোট বা বড় ভাইয়ের স’ঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় স্ত্রী’কে। কখনও ১০-১২ বছরের ছোট দেওরের স’ঙ্গেও বিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এ তো গেল সামাজিক প্রথার কথা। যেখানে সে সব বা’ধ্যবাধকতা নেই, সেখানে চলে আসে আকর্ষণের প্রস’ঙ্গ। ঠিক কী কারণে একটু বেশি ব’য়সি মে’য়েদের প্রতি আকৃ’ষ্ট হন ছেলেরা? বিভিন্ন মনস্তাত্বিক গবে’ষণায় উঠে এসেছে নীচের কারণগু’লি-

পরিণত শ’রীরের প্রতি যৌ’ন আকর্ষণ বোধ করে অনেক ছেলে। তাই বিশেষ করে টিন-এজে ৫-৬ বছর, এমনকী ১০-১২ বছরের বড় না’রীদের প্রতিও আকৃ’ষ্ট হয় তারা। সম্প’র্কের ক্ষেত্রে মে’য়েরা ছেলেদের চেয়ে ব’য়সে ছোট হবে-এই যে প্রচলিত ধারা, তার বাইরে যাওয়ার প্রবণতা থেকেও অনেকে ব’য়সে বড় মে’য়েদের প্রেমে পড়েন।

শ’রীরের টানের পাশাপাশি ছেলেরা সব সময়ে সেই মে’য়েদেরই স’ঙ্গিনী হিসেবে চায়, যাদের বুদ্ধি-বিবেচনা ভাল, যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে আবার প্রয়োজন মতো বিছানায় ছেলেদের ‘ইগো’-কে পুষ্ট করতে পারে। ব’য়সে ছোট মে’য়েরা নিজেরাই প্যাম্পার্‌ড হতে চায় ছেলেদের কাছ থেকে, তাই খুব বেশি ইগো বুস্টিং করতে পারে না।

অনেক সময়ে ছোটবেলায় যৌ’ন নিগ্রহের শি’কার হলে সেই অ’ভিজ্ঞতার ছাপ পড়ে যায় যৌ’ন চা’হিদায়। পরবর্তীকালে ব’য়সে বড় কোনও ম’হিলার শ’রীরকেই তখন পেতে চায় ছেলেরা। ব’য়সে বড় কোনও মে’য়েকে স’ঙ্গিনী হিসেবে পেলে অনেক ছেলেরই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়ে।

তাকে যৌ’নতৃ’প্তি দিতে পারলে আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। পর্নো দেখার অ’ভিজ্ঞতা থেকেও ব’য়সে বড় মে’য়েদের প্রতি আকর্ষণ জ’ন্মায়। বিশেষ করে, সাম্প্রতিক সময়ে যারা খুব বেশি ‘ম্যাচিওর’ পর্ন দেখে, তাদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *