টাক মাথায় চুল গজানোর সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি

চুলেই একজন না’রী ও পুরু’ষের আসল সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। যদি চুল না থাকে তবে কম ব’য়সেও ব’য়স্ক দেখায়। নানা কারণেই নির্দিষ্ট ব’য়সের আগেই অনেকের চুল পড়ে যেতে দেখা যায়।যদিও চুলপড়া একটি সাধারণ রো’গ। চিকিৎসকদের মতে, হরমোনের পাশাপাশি প্রোটিন (আমিষ) ও ফ্যাটের (চর্বি) অভাবে মানুষের চুল পড়ে। তবে কোনো প্রসাধ’নী ব্যবহার না করে ঘরে বসেই এক বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি আপনার হা’রিয়ে যাওয়া চুল ফিরে পেতে পারেন। ঘরোয়া এই পদ্ধতিতে চুল পড়া রোধ হবে স’ঙ্গে চুলও গজাবে।একটি ডিম অথবা এর শুধুমাত্র কুসুম, একটি কলা, এক অথবা দুই কাপ ঘন বিয়ার, এক টেবিল চামচ মধু নিন। এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে চুলে লাগান। এক থেকে দুই ঘন্টা এভাবেই রেখে দিন। মাথা শুকানোর পর সাধারণভাবে ধুয়ে ফেলুন। দ্রু’ত ও ভালো ফলাফল পেতে সপ্তাহে একবার এটি ব্যবহার করুন।সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, কম বয়সে বিয়ের প্রবণতা বাড়ছে পুরুষের। তবে গড়ে বিয়ের বয়স বাড়ছে নারীর।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগাঁরগাওয়ে পরিসংখ্যান ভবন অডিটরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।পরিসংখ্যানে প্রকাশ, পুরুষদের বিয়ের গড় বয়স ২০১৫ সালে ছিল ২৫ দশমিক ৩ বছর। সেটি কমে ২০১৯ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক দুই বছরে।
প্রতিবেদনটি প্রকাশের ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিবিএস’র উপ-মহাপরিচালক ঘোষ সুব্রত। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক একেএম আশরাফুল হক।পুরুষের বিয়ের গড় বয়স কমছে, নারীর বাড়ছেসাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, কম বয়সে বিয়ের প্রবণতা বাড়ছে পুরুষের।তবে গড়ে বিয়ের বয়স বাড়ছে নারীর।গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর আগাঁরগাওয়ে পরিসংখ্যান ভবন অডিটরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।
পরিসংখ্যানে প্রকাশ, পুরুষদের বিয়ের গড় বয়স ২০১৫ সালে ছিল ২৫ দশমিক ৩ বছর। সেটি কমে ২০১৯ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক দুই বছরে। ফলে সময় যত বাড়ছে ততই কম বয়সে বিয়ের প্রতি ঝুঁকছেন পুরুষরা। ২০১৫ সালে নারীদের বিয়ের বয়স ছিল ১৮ দশমিক চার বছর। সেটি কিছুটা বেড়ে ২০১৯ সালে দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক পাঁচ বছরে।প্রতিবেদনটি প্রকাশের ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিবিএস’র উপ-মহাপরিচালক ঘোষ সুব্রত। মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক একেএম আশরাফুল হক।
নিউজটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *