ডিমের খোসার এত গুণ!

ডিম একটি পরিচিত খাবার। ডিমকে বলা হয় প্রেটিনের উৎস। ডিমে খুব সহজেই প্রোটিন মেলে। নানা পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ ডিমের উপকারের কথা সবারই জানা। ডিমের খোসাও নানা রকম প্রয়োজনে ব্যবহার হয়। ডিমের খোসায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, গ্লুকোসামিন, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ও কোলাজেন। এই সব যৌগ শরীরের নানা ব্যাধি, মূলত, ব্যথা-বেদনা সরাতে কাজে আসে। ডিমের খোসা আমরা সকলেই ফেলে দেই। কিন্তু এই ডিমের খোসায় যে গুন লুকিয়ে রয়েছে তা শুনলে আপনি অবাক হবেন।

কন্ডিশনার হিসেবে ডিম: রূপচর্চায় ডিমের ব্যবহারের কথা শুনে থাকতে পারেন। চুলের যত্নেও এটি অনেকেই ব্যবহার করেন, কিন্তু অনেকেই জানেন না যে চুলে ডিমকে কন্ডিশনারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ডিমকে কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ডিমের কুসুমের সঙ্গে অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর এটি চুলে লাগিয়ে নিন।খাবারের স্বাদ পরিবর্তনে ডিমের খোসা: টোটকা হিসিবে কাজে লাগে ডিমের খোসা। কফির স্বাদে তেঁতো ভাব কাটাতে চাইলে ডিমের খোসা গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন।রুপ চর্চায় ডিমের খোসা: ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে দুটি ডিমের খোসা ভালো করে গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এটি ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার ত্বকে লাগান এই মিশ্রন। মাস খানেকের পর পাবেন উজ্জল ত্বক।

গাছের যত্নে ডিম: ডিম সেদ্ধ করার পর খোসা আমরা ফেলে দেই, আর মি সেদ্ধ করা গরম পানি সংরক্ষণের তো প্রশ্নই আসেনা। এখন থেকে ডিমের খোসা ও ডিম সেদ্ধ করার পানি ফেলে না দিয়ে গাছের গোড়ায় দিন। এটি আপনার গাছের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে কাজ করবে।গৃহস্থালির বাসন পরিষ্কারে ডিম: বাসন মাজার কাজ ডিমের খোসা ব্যবহার করুন। বাসনের তেল ও পোড়া দাগ সহজে উঠে যাবে।রক্ত বন্ধ করতে: হঠাৎ কেটে গেলে রক্ত বন্ধ করতে ডিম ব্যবহার করতে পারেন। সেদ্ধ ডিমের খোসার নিচে অর্থাৎ ডিমের ওপরে যে পর্দা থাকে তা এই ক্ষতস্থানে চেপে ধরে রাখুন। এভাবে কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখলেই রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। ক্ষতের দাগ দ্রুত দূর করতেও এটি বেশ কার্যকর।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *