মৃ*ত স্বামীর অবসর ভাতা ৩০ বছর ধরে জমিয়ে মসজিদ বানালেন স্ত্রী

র্দীঘ ৩০ বছর মৃত স্বামীর অবসর ভাতা জমিয়ে তারই নামে একটি মসজিদ বানিয়েছেন এক সৌদি নারী। ওই নারীর এমন পদক্ষেপের ছবি সোমবার তার ছেলে টুইটারে প্রকাশ করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেলে মোহাম্মদ আল হারবি ওই ছবি প্রকাশ করার পর অনেকে প্রশংসা করেছেন।আল হারবি টুইটারে যে ছবি প্রকাশ করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে, তার মা নতুন বানানো মসজিদ প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে আছেন। ছবির নিচে আল হারবি লিখেন, তুমি কতো মহৎ, মা…তুমি কখনও আমার মৃত বাবার অবসর ভাতা ভোগ করনি।আমার বাবার নামে মসজিদ বানানোর আগ পর্যন্ত গেলো ৩০ বছর ধরে এই টাকা জমিয়েছ। আমার বাবা শান্তিতে থাকুন এবং আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন। আল হারবি ওই টুইট করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে ওই ছবি শেয়ারও করেন। একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, আল্লাহ তাকে ও তার স্বামীকে পরকালেও এক করুন। আরেকজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, এটি ভালোবাসার সর্বোচ্চ রূপ

আরও পড়ুনঃআবর্জনার মধ্যে শিশুর কান্না। তার উপর স্থান শ্মশানঘাট। ওরে বাবা, ভয়ে তিনজনেরই শরীরে ঝিম ধরা ভাব। তারপরও একে অপরের হাত শক্ত করে ধরে সাহস করে শ্মশানঘাটে এগিয়ে যাওয়া। যেয়েই দেখি বাজার করার পরিত্যক্ত ব্যাগে জীবিত নবজাতক নড়াচড়া করছে।পিঁপড়ায় খাচ্ছিল শিশুটিকে। যন্ত্রণায় নবজাতকটি কান্নাকাটি শুরু করে। এভাবে এক নবজাতককে উদ্ধারের কথা জানান, কালিগঞ্জ উপজেলার গোলখালি গ্রামের ইসরাইল বিশ্বাস, আব্দুস সাত্তার ও পঞ্চানন মণ্ডরোববার সন্ধ্যায় উপজেলার তারালী ইউনিয়নের গোলখালি গ্রামের মহাশ্মশান নবজাতক উদ্ধারের এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।পথচারী ইসরাইল বিশ্বাস, আব্দুস সাত্তার ও পঞ্চানন মণ্ডল জানান, তারা প্রতিদিনের মতো শ্মশানের পাশের রাস্তা ধরে মাছের ঘেরে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে গোলখালি মহাশ্মশান এলাকায় ময়লাযুক্ত স্থানে একটি বাজার ব্যাগে নড়াচড়াসহ কান্নায় শব্দ শুনতে পায়। এ সময় তারা ভয়ে ভয়ে সেখানে যেয়ে ওই ব্যাগ খুলে দেখে একটি নবজাতককে পিঁপড়ায় খাচ্ছে। রাতে লোকজন খবর দিয়ে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শেখ তৈয়েবুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া নবজাতকটি ছেলে সন্তান। শিশুটি এখন সুস্থ রয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় ২-৩ ঘণ্টা আগেই ওই নবজাতকের জন্ম হয়েছে।ইউএনও মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক রাসেল জানান, নবজাতকটি বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নবজাতকটিকে দত্তক প্রদান করা হবে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *