যে ৬টি কারণে স্বামীরা স্ত্রীর কাছে সম্মান হারান, দেখুন বিস্তারিত।

স্ত্রী যখন স্বামীকে যথার্থ সম্মান না দেন, তখন পুরুষের জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ এবং অসম্মানের। এ ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় পুরুষ নিজেই দায়ি থাকেন। নিজের বুদ্ধির ভুলে এমন কিছু কাজ করে বসেন যা তাকে শুধু অসম্মানের নয় চরম অস্বস্তির করে তোলে। স্বামী হিসেবে এমন অস্বস্তির হতে না চাইলে কিছু আচরণ অবশ্যই পরিহার করা উচিৎ।১. সাংসারিক খরচ বহনের যোগ্যতা স্ত্রীর যতই থাকুক না কেন, স্বামীকে বেকার ঘরে বসে থাকা কেউ মেনে নিতে পারে না। বেকার স্বামী পৃথিবীর সকল স্ত্রীর-ই চক্ষুশূল। তাছাড়া আর্থিক স্বচ্ছলতা যেকোনো মানুষকে শক্ত হয়ে কথা বলা বা সিদ্ধান্ত ‍নিতে শেখায়। আর্থিক দূর্বলতায় থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখার অভ্যাস স্বামীকে স্ত্রীর চোখে অপদার্থে পরিণত করে।২. স্ত্রীর পরিবারের কোনো বিষয় নিয়ে দিনের পর দিন অকারণে খোটা দেয়াটা ছোট মনের পরিচয় দেয়। শ্বশুরবড়ির কাউকে নিয়ে অসম্মান করে কথা বলা স্বামীকে স্ত্রীর চোখে চরম অসম্মানের করে তোলে।৩. শ্বশুর বাড়ি থেকে যৌতুক বা উপহার চাওয়া বা পাওয়ার জন্য চাপ দেয়া স্বামীকে মোটেও সম্মানের করে না। পরের জিনিসের প্রতি লোভই প্রকাশ পায়। যে ব্যক্তি পরের জিনিসের প্রতি খুব বেশি আকৃষ্ট থাকে, সে আর যায় হোক নিজের সম্মান ধরে রাখতে জানে না। সামান্য ব্যাপারে স্ত্রীর সঙ্গে মনোদ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। সুখের দাম্পত্য বিষিয়ে ওঠে অচিরেই।৪. অনেক পুরুষ নিজের পরিবারের সদস্যদের কাছে স্ত্রীকে লাঞ্ছিত হতে দেখেও চুপ করে থাকেন, এমনকি রাস্তায় টিজিং-এর শিকার হতে দেখেও কিছু বলেন না। এতে আসলে চিরকালের মতো স্বামীরা স্ত্রীর চোখে গুরুত্ব হারান।৫. স্ত্রীর সামনে অন্য নারীর প্রশংসা বা তার প্রতি দূর্বলতা প্রকাশ স্বামীর সম্মান নষ্ট করে দেয়। এই স্বভাব ক্রমাগত ধরে রাখলে স্বামীকে ফালতু ভাবা স্বাভাবিক।৬. সংসারের কাজে স্ত্রীকে যৎ সামান্য হলেও সাহায্য করুন। নাহলে স্ত্রীর কাছে আপনি অপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠবেন। এমনকি সন্তানদের চোখেও। আর এসব আচরণ একজন স্বামীকে দিনে দিনে চরম অসম্মানের করে তুলতে যথেষ্ট।

আরো পড়ুন
যে পাঁচ ধরনের পুরুষকে কখনোই বিয়ে করবেন নাবিয়ে নিয়ে নারীদের চিন্তার শেষ থাকে না। কারণ জীবন সঙ্গী কেমন হবে তা অনেক বড় চিন্তার বিষয়ই। বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রী, দুপক্ষেরই সহযোগিতা প্রয়োজন।তবে কোন ধরনের পুরুষ স্বামী হিসেবে ভালো হবে এবং কারা হবে মন্দ তা বুঝে ওঠা সত্যিই খুব কঠিন। তবে জানা প্রয়োজন বিবাহের ক্ষেত্রে যে পাঁচ ধরনের পুরুষকে কখনোই বিয়ে করা উচিত নয়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক, স্বামী হিসেবে বাজে এমন পাঁচ ধরনের পুরুষ সম্পর্কে-১. বিজ্ঞানীদের বহু গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর বেশিরভাগ নারীই খারাপ পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয় বেশি। পরে এর জন্য তাকে অনেক কষ্টও পেতে হয়। এসব ছেলেদের কিছু বিশেষ গুণ থাকে। যেমন- মিষ্টি কথা বলার জাদু, অতিরিক্ত যত্ন নেয়া ইত্যাদি উপায়ে তারা খুব সহজে একটি মেয়ের মন জয় করে ফেলে। যা করতে একটি ভদ্র ছেলের অনেক দিন সময় লেগে যায়।ফলে সহজেই নারীরা একটি খারাপ ছেলের ওপর তীব্র আকর্ষণ অনুভব করে। অনেকেই আবার মনে করেন যে, হয়তো সে পরে ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু এরূপ আশা নিয়ে কখনোই বিয়ে করা উচিত নয়। কারণ এরা কখনোই ভালো হবে না। এদের খারাপ স্বভাবও কোনদিন বদলাবে না। উল্টো এই ভুলের জন্য আপনাকেই সারা জীবন কষ্ট পেতে হবে।২. অতিরিক্ত আত্মকেন্দ্রিক পুরুষদের সঙ্গে বিবাহ করা একদমই ঠিক না। এতে বিবাহিত জীবন সুখের হয় না। এরা নিজের রূপ-গুণ থেকে শুরু করে সবকিছুরই গুণগান সবসময় শোনাতে থাকে। সবসময়ই নিজের গুণগান করতে থাকে, নিজের প্রশংসায় নিজেই পঞ্চমুখ হয়ে থাকে।এরা নিজেদের নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকে যে, নিজেরা ছাড়াও পৃথিবীতে আরো সবাই আছে সেটা ভুলে যায়। এমন মানুষের সঙ্গে বেশিক্ষণ কথা বলাও সম্ভব হয়ে ওঠে না। এমন পুরুষকে যদি বিয়ে করা হয় তাহলে হয়তো তারা কখনোই আপনার দিকে নজর দেবে না। যার ফলে বিবাহিত জীবনে কোনদিনই সুখ আসবে না।৩. অতিরিক্ত মা ঘেঁষা ছেলেরা মানুষ হিসেবে ভালো হলেও স্বামী হিসেবে মোটেই সুবিধার নয়। যদি না তার ন্যায় অন্যায় জ্ঞান প্রবল থাকে। কারণ মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা, মমতা প্রদর্শন করতে গিয়ে সে স্ত্রীর প্রতি কর্তব্য পালন করতে পারে না। অন্যায় হতে দেখলেও মেনে নেয় মাথা নিচু করে।এদের সব কাজেই তাদের মায়েরা যেনো জড়িয়ে থাকে। তাই এরা কখনোই স্ত্রীকে সাপোর্ট করতে পারেনা। মা কোনো অন্যায় করলেও সেটাকে মুখ বুজে মেনে নেয়, যেটা বৈবাহিক জীবনের পক্ষে একদমই ভালো নয়। তাই চেষ্টা করুন বিবাহের ক্ষেত্রে এইরকম পুরুষকে এড়িয়ে যেতে।৪. আমি অনেক কিছু জানি, আমি তোমার থেকে বেশি জানি এই ধরনের ভাব ধরা পুরুষদের থেকে একশ হাত দূরে থাকুন। কারণ এই ধরনের পুরুষেরা নিজেদের মতামতকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এরূপ পুরুষেরা নিজেদের জ্ঞানী বলে মনে করে।এরা সব কাজেই নিজেদের মতামতকেই সর্বশ্রেষ্ঠ বলে মনে করে। কখনো স্ত্রীর মতামত নেয়ার প্রয়োজনও অনুভব করে না। এমন পুরুষেরা স্বামী হিসেবে একদমই ভালো হয় না। তাই চেষ্টা করুন এমন পুরুষদের সঙ্গ এড়িয়ে যেতে।৫. এমন অনেক পুরুষ আছে যারা সবাইকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়। সে মা হোক বা স্ত্রী বা বাড়ির অন্য কোনো সদস্য। এমন পুরুষদের সঙ্গে যেসব নারীরা যারা আধুনিক জীবনের সঙ্গে অতটা অভ্যস্ত নয়, কেবলমাত্র তারাই মানিয়ে নিতে পারবে।প্রতিটি কাজে বাঁধা এবং নিজের আওতাধীন রাখতে চাওয়াই এই ধরনের পুরুষের মূল লক্ষ্য। যা আধুনিক এবং প্রগতিশীলা নারীরা একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। সুতরাং সতর্ক থাকুন, বিয়ের আগে ভেবে নিন, বুঝে নিন তারপর বিয়ে করুন।চেষ্টা করুণ এই পাঁচ ধরনের পুরুষকে একটু এড়িয়ে চলতে। তাহলেই আপনার সাংসারিক জীবন হবে সুখের।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *