লা লিগা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল

ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে কাঙ্ক্ষিত জয় তুলে নিয়ে দুই বছর পর শিরোপা জয়ের আনন্দে ভাসলো রিয়াল মাদ্রিদ। আলফ্রেদো দে স্তেফানো স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ভিয়ারিয়ালকে ২-১ গোলে হারিয়ে উৎসবে মেতে ওঠে জিনেদিন জিদানের দল। শিরোপা জয়ের ম্যাচে করিম বেনজেমা দুই অর্ধে করেন একটি করে গোল। শেষ দিকে ব্যবধান কমান ইবোরা।

প্রতিযোগিতার ইতিহাসে রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন রিয়ালের এটি ৩৪তম শিরোপা। এর আগে ২০১৬-১৭ মৌসুমে শেষবার লিগের মুকুট পরেছিল স্পেনের সফলতম দলটি।

ম্যাচের ২৯তম মিনিটে গোলের দেখা পায় রিয়াল। মাঝমাঝে প্রতিপক্ষের পাস ধরে কাসিমিরো বাড়ান সামনে। মদ্রিচ বল ধরে একটু এগিয়ে ডান দিকে বাড়ান বেনজেমাকে। ডি-বক্সে জায়গা বানিয়ে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষকের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা।

বিরতির পর ৭৭তম মিনিটে ঘটনাহুল পেনাল্টি গোলে শিরোপা অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেন বেনজেমা। রামোস ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টিটি পায় রিয়াল।

শেষ দিকে ৮৩তম মিনিটে ডান দিক থেকে সতীর্থের ক্রসে হেডে ইবোরা ঠিকানা খুঁজে পেলে নাটকীয়তার সম্ভাবনা জাগে। ব্যবধান কমিয়ে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে ভিয়ারিয়াল। তবে শেষ পর্যন্ত এই এক গোলেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ইবোরাদের।

এদিকে, শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদের শিরোপা উদযাপন। ডাগআউট থেকে ছুটে যান রিয়ালের সাফল্যের কারিগর কোচ জিনেদিন জিদান।

ম্যাচের ১৬তম মিনিটে দুই খেলোয়াড়ের নৈপুণ্যে এগিয়ে যায় সফরকারীরা। ডিফেন্ডার এস্তুপিনানের চমৎকার ক্রসে বার ঘেঁষে জাল খুঁজে নেন বার্সেলোনার সাবেক মিডফিল্ডার হোসে আরনাইস।

বিরতির পর সমতায় ফেরে বার্সেলোনা। ৬২তম মিনিটে চতুর্থ ফ্রি-কিকে জালের দেখা পান মেসি। বাঁ দিকের বারে লেগে ভেতরে যাওয়া বল ঠেকানোর কোনো সুযোগই ছিল না ওসাসুনা গোলরক্ষকের। চলতি আসরে আর্জেন্টাইন তারকার এটি ২৩তম গোল।

যোগ করা সময়ে এনরিকে বারহার দারুণ ক্রসে আবার ওসাসুনাকে এগিয়ে নেন রবের্তো তরেস। সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল সুয়ারেসের সামনে। বল বারে মারেন তিনি, হারের হতাশায় মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *