শুক্র গ্রহে প্রাণের ইঙ্গিত মিলতেই নিজেদের বলে দাবি রাশিয়ার, হতবাক পুরো বিশ্ব

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা নাসা শুক্রগ্রহে প্রাণির অস্তিত্ব পাওয়ার দাবি করেছে। এ দাবির পরই গ্রহটি নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত রাশিয়া। নাসা যখন ঘোষণা করলো মহাকাশে ভিনগ্রহে প্রাণের সন্ধানে এবার তারা শুক্রগ্রহকে অগ্রাধিকার দেবে। তখনই রাশিয়া দাবি করল, শুক্র গ্রহটি তাদের সম্পত্তি। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায়।এ সপ্তাহে রাশিয়ান মহাকাশ করপোরেশন রসকসমসের প্রধান দিমিত্রি রোগোজিন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্বপরিকল্পিত অভিযান ছাড়াও শুক্রগ্রহে নিজস্ব অভিযান পরিচালনা করা হবে। হেলিকপ্টার শিল্পের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী হেলিরাশিয়া ২০২০-তে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় ১৫ সেপ্টেম্বর মস্কোতে এসব কথা জানান তিনি।রাশিয়ান মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান দিমিত্রি রোগোজিন মস্কোয় একটি অনুষ্ঠানে দাবি করলেন, ‘শুক্রগ্রহ রাশিয়ান গ্রহ। রাশিয়ারই সম্পত্তি।মস্কো টাইমস-কে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ প্রথম এবং একমাত্র দেশ, যারা শুক্র গ্রহের মাটি ছুঁয়েছে।

তার বক্তব্য, ৬০, ৭০ ও ৮০-র দশকে রাশিয়া একাধিকবার শুক্রগ্রহের মাটিতে নেমেছে। এবং রাশিয়ার মহাকাশযানই প্রথম ওই গ্রহ সম্পর্কে তথ্য পাঠিয়েছে পৃথিবীকে। গ্রহটি নরকের মতো।সম্প্রতি নেচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা বলেছেন, তারা শুক্রের বায়ুমণ্ডলে ফসফিন নামে একটি গ্যাস শনাক্ত করা গিয়েছে। যা গ্রহের বায়ুমণ্ডলের মধ্যে জীবনের উপস্থিতির নির্দেশ করতে পারে।পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলেও এই গ্যাস রয়েছে। নাসার পরবর্তী চারটি মিশনের মধ্যে দুটি শুক্রগ্রহকে কেন্দ্র করে। ইউরোপের এনভিশন মিশনও হবে শুক্রকে কেন্দ্র করে যেখানে নাসাও অংশীদার। নাসা জানিয়েছে, শুক্রগ্রহদের মধ্যে এমন এক গন্তব্য যা আমরা ছোট ছোট মিশন দিয়ে পৌঁছে যেতে পারি।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *